নির্বাচনকালীন সরকার এবং সংবিধানে নিয়ে একি বললেন মান্না !!

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। যার কোনো বিধান সংবিধানে নেই।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সামাজিক শক্তির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মান্না বলেন, সরকার গর্ব করে আমাদের আমলে জিডিপি বেড়েছে। এ সরকারের আমলে জিডিপি ৬ দশমিক ১ শতাংশ, যা বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। তাহলে কী উন্নয়নের জন্য ওই সরকারই ভালো ছিল? লুটপাটের রাজত্ব চলছে, বৈষম্য চরম পর্যায়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শাসনের নামে এ যে ভণ্ডামি চলছে, এটা মানুষের কাছে জানাতে হবে। চার বছর জবরদখলকারীদের শাসন চলছে। দেশে এখন কর্মসংস্থান বলতে কিছু নেই।

সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক এম ডি হাবিবুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোশারেফ হোসেন মন্টু।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হীরু, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলনের সভাপতি স্বরূপ হাসান শাহীন প্রমুখ।

জনগণের ক্ষমতা আছে কীভাবে?

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, সভা সমিতি করার অধিকার নাই, প্রতিবাদ করার অধিকার নাই। হ্যাঁ- না বলার অধিকার নাই। জনগণের ক্ষমতা আছে কীভাবে? সভা-সমিতি, মিছিল-মিটিং করতে দিবেন না।

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সামাজিক শক্তির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুর রব বলেন, ‘গতকাল প্রধানমন্ত্রী ভাষণে এক জায়গায় ‘শান্তি’র কথা বলেছেন। ঘুষ, দুর্নীতি, চুরি, লুট, ডাকাতি, হত্যা, শিশু নির্যাতন, অপহরণ, গুম-খুন, ধর্ষণ এগুলো যদি শান্তি হয়। রাতে মানুষ ঘুমাতে পারবে কি-না ঘরে এটার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটার নাম যদি শান্তি হয়, আমি অনুরোধ করবো প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনে এ শান্তির জন্য আপনি ভোট চাইবেন না। আপনার কাছে আমরা মাফ চাই, এ শান্তি আমরা চাই না।’

আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিবে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দল আগামী নির্বাচনে আসবে, এটা আপনি জানলেন কীভাবে? সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তো আপনি একদিন বসলেন না। আলোচনা করলেন না একদিন।’

জেএসডি সভাপতি বলেন, ‘যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। আমরা তখন বলেছি, বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো। তখন আমাদের পাল্টা স্লোগান দিয়েছে, বাঁশের লাঠি তৈরি করো, বিপ্লবীদের খতম করো। তারা এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছে। আমাদেরকে যারা খতম করার স্লোগান দিয়েছে, তারা এখন ক্ষমতায়। তারা অন্যদের অর্জন কেন স্বীকার করবে? যার নিজের কোনো অর্জন নাই। আসলে তো সমস্যা এক জায়গায়। দেশের মালিক কে? দেশে আমরা ভবিষ্যতে কি করতে চাই? কেন করতে চাই? দেশের উন্নয়ন হবে কার জন্য?’

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যা ধারণ করতে পারে না, সে কথা কে বলবে? এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি সামাজিক, পেশাজীবী, কর্মজীবী, শ্রমজীবী সংগঠন দরকার।

সংগঠনের সহ-সভাপতি এমডি হাবিবুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন মন্টু। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হীরু, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলনের সভাপতি স্বরূপ হাসান শাহীন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *