/ফরিদপুরের টক অব দ্যা টাউন: পুলিশ সুপার সুভাস চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রীর পাহাড় সমান টাকা

ফরিদপুরের টক অব দ্যা টাউন: পুলিশ সুপার সুভাস চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রীর পাহাড় সমান টাকা

স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরে টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার সুভাস চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী রীণা চৌধুরীর নামে নামে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে থাকা পাহাড় সমান টাকার একাউন্ট।নামে ও বেনামে রাখা এই টাকার সন্ধানলাভের পর দুদক তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি গ্রহন করেছে।এই সংবাদ গতকাল বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে এবং আজকের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশের পর এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে তার কর্মস্থল ফরিদপুর ও সারা দেশে। পুলিশ প্রশাসনও তার এই দুর্নীতির খবরে চরম বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েছে।পুলিশের সদর দপ্তর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি প্রদানেরও প্রস্ততি চলছে বলে জানা গেছে।শুধু ফরিদপুর নয় তার নিজ জেলা মাগুরায়ও বিসয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বলে সেখানকার স্থানীয় সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন।

দুদক থেকে দেওয়া বিভিন্ন বিস্তারিত তথ্য থেকে জানা যায়, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সুভাস চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী রীণা চৌধুরীর নামে ওয়ান ব্যাংকের ৩ টি শাখায় প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার এফডিআরের অনুসন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দেওয়া আয়কর নথির কোথাও এ বিপুল অংকের টাকার কথা উল্লেখ করেননি তারা।

এ ঘটনায় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে মঙ্গলবার মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুদক।দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, আজই পুলিশ সুপার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হতে পারে।এর আগে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধান করে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী রীনা চৌধুরীর যৌথ নামে ৮ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৬৭ টাকার এফডিআর পাওয়া যায়।

ওয়ান ব্যাংকের রাজধানীর বংশাল শাখা, এলিফ্যান্ট রোড শাখা এবং যশোরের ওয়ান ব্যাংক শাখাতে গচ্ছিত ছিল এ বিপুল অংকের টাকা।

কিন্তু পুলিশ সুপার ওই অর্থ দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণী কিংবা আয়কর নথিতে উপস্থাপন না করে গোপন রেখেছেন। এমনকি দুদকের অনুসন্ধানেও ওই আয়ের যথাযথ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তাই অনুসন্ধান কর্মকর্তার সুপারিশ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে স্ত্রীসহ পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধ মানিলন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।