/ফরিদপুর সদর হতে ০১ জন ভূয়া ডাক্তার আটক

ফরিদপুর সদর হতে ০১ জন ভূয়া ডাক্তার আটক

সাইফুল ইসলাম : র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে বুধবার ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন মুন্সী বাজারস্থ মেসার্স ফারিহা মেডিকেল হলে অভিযান পরিচালনা করে ভূয়া ডাক্তার মোঃ কামরুল মাহমুদ(৪৫), পিতা-মোঃ আব্দুল বাসেত, কোতয়ালী থানার দেওরা গ্রাম থেকে আটক করে হয় । ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, আসামী মোঃ কামরুল মাহমুদ তিনি ডাক্তারী পেশার সনদধারী না হয়েও বিভিন্ন জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে থাকেন। বিভিন্ন ভূক্ত ভুগিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল মেসার্স ফারিহা মেডিকেল হলে অভিযান পরিচালনা করে ভূয়া ডাক্তার মোঃ কামরুল মাহমুদকে আটক করে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জনাব মোঃ মতিউর রহমান খান, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ফরিদপুর এর উপস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন, ২০০৯ এর ৫২ ধারা মোতাবেক মোঃ কামরুল মাহমুদকে(৪৫)কে ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

ফরিদপুরের বিভিন্ন ওষুধের দোকান হতে বিপুল পরিমান ভেজাল ওষুধসহ ০৪ জন আটক।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে বুধবার ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন নিলটুলীর আফরিন ফার্মেসী এবং মুন্সির বাজারস্থ বি এইচ মেডিকেল হল, আরাফাত মেডিকেল হল ও মেসার্স মা ফার্মেসীতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান নিশিদ্ধ ভেজাল ওষুধ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে। এ সময়ে আফরিন ফার্মেসীর মালিক মোঃ ফিরোজ বিশ্বাস মিরাজ(৩০), পিতা-মোঃ হারুনুর রশিদ, বারসাদিয়া, মেসার্স বি এইচ মেডিকেল হলের মালিক  মোঃ জাকির হোসেন(৩৫), পিতা-মোঃ রাশেদ বিশ^াস, কাফুরা, আরাফাত মেডিকেল হলের মালিক মোঃ একলাছ তালুকদার(৪০), পিতা-আব্দুস সালাম তালুকদার, কইজুরী, মেসার্স মা ফার্মেসীর মালিক মোঃ মুহিউদ্দীন মিয়া(৩৬), পিতা-মোঃ আব্দুল হালিম, আটক করে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জনাব মোঃ মতিউর রহমান খান, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ফরিদপুর এর উপস্থিতিতে ওষুধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(ক) এর ২৭ ধারা মোতাবেক আফরিন ফার্মেসীর মালিক মোঃ ফিরোজ বিশ্বাস মিরাজ কে ৫০,০০০/-, মেসার্স বি এইচ মেডিকেল হলের মালিক মোঃ জাকির হোসেনকে ১০,০০০/-, আারাফাত মেডিকেল হলের মালিক মোঃ একলাছ তালুকদারকে ৫,০০০/- এবং মেসার্স মা ফার্মেসীর মালিক মোঃ মুহিউদ্দীন মিয়াকে ১০,০০০/- টাকা সর্বমোট ৭৫ হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করেন।